ব্লকচেইন আজকের প্রযুক্তি দুনিয়ার একটি আলোচিত শব্দ (buzzword)। সহজভাবে বলতে গেলে, ব্লকচেইন হলো লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড, যা Chain of Blocks (ব্লকের চেইন) আকারে সংরক্ষিত থাকে। প্রতিবার একটি ব্লক তথ্য দিয়ে পূর্ণ হলে, পরবর্তী নতুন ব্লক তৈরি হয় আরও তথ্য সংরক্ষণের জন্য। ব্লকচেইন একটি নিরাপদ প্রযুক্তি যেখানে কোনো তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন হয় না; যেমন টাকা লেনদেনে ব্যাংকের হস্তক্ষেপ ছাড়াই […]

ব্লকচেইন টার্মিনোলজি: Node, Address, Distributed Ledger, Mining, Smart Contract এবং আরও ২৫+ গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা
ব্লকচেইন একটি দ্রুতবর্ধনশীল প্রযুক্তি, যেখানে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন গবেষণা ও আলোচনা চলছে। এই প্রযুক্তি নিয়ে কথা বলতে গেলে কিছু মৌলিক টার্ম জানা অপরিহার্য। এই আর্টিকেলে আমরা ব্লকচেইনের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ও গুরুত্বপূর্ণ ২৯টি টার্মের বাংলা ব্যাখ্যা, উদাহরণ এবং সিনট্যাক্স দেখব। প্রতিটি টার্মের সাথে প্রোগ্রামিং উদাহরণ দেওয়া হয়েছে, যাতে আপনি সহজে বুঝতে পারেন এবং হাতে-কলমে শিখতে […]

ব্লকচেইন প্রযুক্তির ৭টি প্রধান বৈশিষ্ট্য: Immutable, Distributed, Decentralized, Secure, Consensus, Unanimous এবং Faster Settlement
ব্লকচেইন হলো ব্লকের চেইন, যা তথ্য ধারণ করে। অনেকেই মনে করেন ব্লকচেইন মানেই Bitcoin, কিন্তু আসলে তা নয়। Bitcoin একটি ডিজিটাল মুদ্রা বা ক্রিপ্টোকারেন্সি, যা ব্লকচেইন প্রযুক্তির উপর কাজ করে। ব্লকচেইনের উদ্ভাবক Satoshi Nakamoto। প্রতিটি ব্লকে কিছু লেনদেন থাকে এবং প্রতিটি লেনদেন Hash আকারে রেকর্ড করা হয়। Hash হলো প্রতিটি ব্লকের একটি ইউনিক ঠিকানা, যা ব্লক তৈরির সময় তৈরি হয়। ব্লকে […]

ব্লকচেইন কী? ইতিহাস ও বিবর্তন: ১৯৯১ থেকে ২০২২ পর্যন্ত সম্পূর্ণ গাইড
ব্লকচেইনকে Chain of Blocks হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা যায়, যেখানে প্রতিটি ব্লকে নির্দিষ্ট তথ্য থাকে। এটি একটি লেজার (Ledger), অর্থাৎ একটি ফাইল যা ক্রমাগত বাড়তে থাকে এবং সব লেনদেনের রেকর্ড স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে। এই প্রক্রিয়াটি সুরক্ষিত, কালানুক্রমিক (chronological) এবং অপরিবর্তনীয় (immutable) উপায়ে ঘটে। যখন একটি ব্লক তথ্য সংরক্ষণে পূর্ণ হয়, তখন একটি নতুন ব্লক তৈরি হয়। এই আর্টিকেলে আমরা […]
