স্বরবর্ণ ও স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ (কার): সম্পূর্ণ তালিকা, ব্যবহার ও বিগত সালের প্রশ্নোত্তর
📚 ভূমিকা (Introduction)
প্রিয় শিক্ষার্থী, বাংলা লেখার সৌন্দর্য ও সঠিক বানানের মূল চাবিকাঠি হলো স্বরবর্ণ এবং এর সংক্ষিপ্ত রূপ (কার)। আমরা যখন ‘ক’ লিখি, সেটি একটি ব্যঞ্জনবর্ণ; কিন্তু যখন ‘কা’ লিখি, তখন ‘া’ চিহ্নটি বসিয়ে দিয়েছি। এই ‘া’-ই হলো ‘আ’ স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার। পরীক্ষায় কার-এর সঠিক ব্যবহার, কোন কার কোথায় বসে, কার ও ফলার পার্থক্য—এসব নিয়ে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
কেন এই অধ্যায় পরীক্ষার জন্য জরুরি?
বিগত ১৫ বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিসিএস প্রিলিমিনারি, প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ, এনটিআরসিএ, এসএসসি-এইচএসসি বোর্ড এবং ডব্লিউবিসিএস পরীক্ষায় স্বরবর্ণ ও কার থেকে প্রতি বছর ২-৩টি প্রশ্ন আসে। যেমন—
- [BCS 44th] তে এসেছিল “‘আ’-এর কার কোনটি?”
- [Primary 2023] তে এসেছিল “কার কাকে বলে?”
- [SSC 2022] তে এসেছিল “কোনটি স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ?”
- [NTRCA 2020] তে এসেছিল “‘এ’-এর কার কোথায় বসে?”
এই অধ্যায়টি দেখতে সহজ, কিন্তু কার-এর অবস্থান ও চিহ্ন নিয়ে অনেকের ভুল হয়। আজকের লেকচারে আমরা সম্পূর্ণ তালিকা, ট্রিকস ও টেবিলের মাধ্যমে বিষয়টি এমনভাবে শিখব যেন পরীক্ষায় কোনো ভুল না হয়।
🎯 শিখনফল (Learning Objectives)
এই লেকচার শেষে আপনি—
- স্বরবর্ণ ও কার-এর সংজ্ঞা এবং পার্থক্য নির্ণয় করতে পারবেন।
- ১১টি স্বরবর্ণের কার সম্পূর্ণ তালিকা মনে রাখতে পারবেন।
- কার কোথায় বসে (আগে, পরে, উপরে, নিচে) তা চেনার কৌশল আয়ত্ত করবেন।
- কার ও ফলার মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারবেন।
- বিগত সালের প্রশ্নের নির্ভুল উত্তর দিতে পারবেন।
📖 প্রধান আলোচনা (Main Discussion)
১. স্বরবর্ণ কাকে বলে? (Definition of Soroborno)
সহজ সংজ্ঞা
স্বরধ্বনিকে লিখে প্রকাশ করার জন্য যে সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে স্বরবর্ণ বলে। বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি—অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ।
ভাষাবিদদের সংজ্ঞা (Linguistic Reference)
এনসিটিবি (NCTB) অনুমোদিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী—
“স্বরধ্বনির লিখিত রূপকে স্বরবর্ণ বলে।”
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ তাঁর “বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত” গ্রন্থে বলেছেন—
“যে বর্ণ নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে এবং ব্যঞ্জনবর্ণকে উচ্চারণে সাহায্য করে, তাকে স্বরবর্ণ বলে।”
ভাষাবিদদের মতে—
“স্বরবর্ণ হলো বর্ণমালার প্রাণ; এগুলো ছাড়া ব্যঞ্জনবর্ণ পূর্ণরূপে উচ্চারিত হতে পারে না।”
২. স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার কাকে বলে? (Definition of Kar)
সহজ সংজ্ঞা
স্বরবর্ণ যখন কোনো ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে ছোট বা সংক্ষিপ্ত আকারে লেখা হয়, তখন সেই সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলে। যেমন— ‘আ’ স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ‘া’ (আ-কার), ‘ই’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ ‘ ি ’ (ই-কার)।
ভাষাবিদদের সংজ্ঞা (Linguistic Reference)
এনসিটিবি (NCTB) অনুমোদিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী—
“স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত আকার ধারণ করে, তখন তাকে কার বলে।”
ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ-এর মতে—
“ব্যঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত স্বরধ্বনির সংক্ষিপ্ত চিহ্নই কার; এটি স্বরবর্ণের বিকল্প রূপ।”
ভাষাবিদদের মতে—
“কার হলো স্বরবর্ণেরই প্রতিনিধি, যা ব্যঞ্জনের গায়ে বসে স্বরধ্বনিকে নির্দেশ করে।”
৩. স্বরবর্ণ ও কার-এর মধ্যে পার্থক্য (Difference)
| বিষয় | স্বরবর্ণ | কার (সংক্ষিপ্ত রূপ) |
|---|---|---|
| সংজ্ঞা | স্বরধ্বনির পূর্ণ লিখিত রূপ। | স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত বা যুক্ত রূপ। |
| অবস্থান | স্বাধীনভাবে বসে (শব্দের শুরুতে বা মাঝে)। | ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে বসে। |
| উদাহরণ | অ, আ, ই, উ, এ, ও | া, ি, ু, ে, ো |
| ব্যবহার | আলাদা বর্ণ হিসেবে লেখা হয়। | ব্যঞ্জনের গায়ে বা পাশে লেখা হয়। |
মনে রাখার কৌশল:
“স্বরবর্ণ একা, কার ব্যঞ্জনের সাথে।”
৪. ১১টি স্বরবর্ণের কার (Complete List of Kar)
| স্বরবর্ণ | কার | উদাহরণ (ক + স্বরবর্ণ) | ব্যাখ্যা |
|---|---|---|---|
| অ | (নেই) | ক | ‘অ’ কোনো কার নেই, ব্যঞ্জন নিজেই ‘অ’ ধারণ করে। |
| আ | া | ক + আ = কা | ‘আ’-এর কার ‘া’, ব্যঞ্জনের পরে বসে। [BCS 44th] |
| ই | ি | ক + ই = কি | ‘ই’-এর কার ‘ ি ’, ব্যঞ্জনের আগে বসে। |
| ঈ | ী | ক + ঈ = কী | ‘ঈ’-এর কার ‘ ী ’, ব্যঞ্জনের পরে বসে। |
| উ | ু | ক + উ = কু | ‘উ’-এর কার ‘ ু ’, ব্যঞ্জনের নিচে বসে। |
| ঊ | ূ | ক + ঊ = কূ | ‘ঊ’-এর কার ‘ ূ ’, ব্যঞ্জনের নিচে বসে। |
| ঋ | ৃ | ক + ঋ = কৃ | ‘ঋ’-এর কার ‘ ৃ ’, ব্যঞ্জনের নিচে বসে। |
| এ | ে | ক + এ = কে | ‘এ’-এর কার ‘ ে ’, ব্যঞ্জনের আগে বসে। |
| ঐ | ৈ | ক + ঐ = কৈ | ‘ঐ’-এর কার ‘ ৈ ’, ব্যঞ্জনের আগে বসে। |
| ও | ো | ক + ও = কো | ‘ও’-এর কার ‘ ো ’, ব্যঞ্জনের পরে বসে। |
| ঔ | ৌ | ক + ঔ = কৌ | ‘ঔ’-এর কার ‘ ৌ ’, ব্যঞ্জনের পরে বসে। |
মনে রাখার কৌশল:
“আ, ঈ, ও, ঔ—পরে; ই, এ, ঐ—আগে; উ, ঊ, ঋ—নিচে।”
৫. কার-এর অবস্থান অনুযায়ী শ্রেণিবিভাগ (Position-based Classification)
ক) ব্যঞ্জনের পরে বসে (After consonant)
- আ-কার (া): কা, খা, গা, চা, ছা, যা, তা, দা, না, পা, মা, বা, ভা, লা, সা ইত্যাদি।
- ঈ-কার (ী): কী, খী, গী, চী, জী, ডী, দী, নী, পী, বী, মী, লী, সী ইত্যাদি।
- ও-কার (ো): কো, খো, গো, চো, জো, ডো, দো, নো, পো, বো, মো, লো, সো ইত্যাদি।
- ঔ-কার (ৌ): কৌ, খৌ, গৌ, চৌ, জৌ, দৌ, নৌ, পৌ, বৌ, মৌ, লৌ, সৌ ইত্যাদি।
খ) ব্যঞ্জনের আগে বসে (Before consonant)
- ই-কার ( ি ): কি, খি, গি, চি, জি, ডি, দি, নি, পি, বি, মি, লি, সি ইত্যাদি।
- এ-কার ( ে ): কে, খে, গে, চে, জে, ডে, দে, নে, পে, বে, মে, লে, সে ইত্যাদি।
- ঐ-কার ( ৈ ): কৈ, খৈ, গৈ, চৈ, জৈ, দৈ, নৈ, পৈ, বৈ, মৈ, লৈ, সৈ ইত্যাদি।
গ) ব্যঞ্জনের নিচে বসে (Below consonant)
- উ-কার ( ু ): কু, খু, গু, চু, জু, ডু, দু, নু, পু, বু, মু, লু, সু ইত্যাদি।
- ঊ-কার ( ূ ): কূ, খূ, গূ, চূ, জূ, ডূ, দূ, নূ, পূ, বূ, মূ, লূ, সূ ইত্যাদি।
- ঋ-কার ( ৃ ): কৃ, খৃ, গৃ, চৃ, জৃ, ডৃ, দৃ, নৃ, পৃ, বৃ, মৃ, লৃ, সৃ ইত্যাদি।
৬. কার ও ফলার মধ্যে পার্থক্য (Kar vs Fola)
| বিষয় | কার | ফলা |
|---|---|---|
| সংজ্ঞা | স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ। | ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ। |
| উৎপত্তি | স্বরবর্ণ থেকে। | ব্যঞ্জনবর্ণ থেকে। |
| উদাহরণ | া, ি, ী, ু, ূ, ৃ, ে, ৈ, ো, ৌ | ্য, র্য়, ল্য, ব্ব, স্স ইত্যাদি |
| ব্যবহার | ব্যঞ্জনের গায়ে, আগে বা পরে। | ব্যঞ্জনের নিচে বা পাশে। |
মনে রাখার কৌশল:
“কার স্বরের, ফলা ব্যঞ্জনের।”
🧠 গ্রামাটিক্যাল ব্যাখ্যা ও মনে রাখার কৌশল (Rules & Tricks)
Trick 1: কার-এর অবস্থান মনে রাখার ছড়া
“আ-ঈ-ও-ঔ পিছে বসে,
ই-এ-ঐ আগে হাসে;
উ-ঊ-ঋ নিচে নামে,
অ-এর কোনো কার নেই,
এমনটাই নিয়ম সবার।”
Trick 2: ‘অ’-এর কার নেই কেন?
- বাংলা বর্ণমালায় ‘অ’ স্বরবর্ণের কোনো কার নেই।
- কারণ প্রতিটি ব্যঞ্জনবর্ণ নিজেই ‘অ’ ধ্বনি ধারণ করে।
- যেমন— ‘ক’ উচ্চারণ করলে ‘ক’ + ‘অ’ = ‘ক’ (অন্তর্নিহিত ‘অ’ থাকে)।
শর্টকাট:
“ব্যঞ্জনের গায়ে অ লুকানো, তাই অ-এর কার লাগে না।”
Trick 3: কার চেনার দ্রুত উপায়
- ‘ ি ’ (ই-কার) সবসময় ব্যঞ্জনের আগে বসে, কিন্তু উচ্চারণ হয় ব্যঞ্জনের পরে।
- ‘ ে ’ (এ-কার) ব্যঞ্জনের আগে, ‘ ৈ ’ (ঐ-কার) আগে।
- ‘ ু ’ (উ-কার), ‘ ূ ’ (ঊ-কার), ‘ ৃ ’ (ঋ-কার) নিচে।
- ‘া’ (আ-কার), ‘ ী ’ (ঈ-কার), ‘ ো ’ (ও-কার), ‘ ৌ ’ (ঔ-কার) পরে।
⚠️ ভুল যেখানে হয় (Common Mistakes)
- ‘ই’-এর কার ‘ ি ’ আগে বসে, কিন্তু অনেকে পরে লেখে: যেমন— কি (সঠিক), কি (ভুল)।
- ‘ঈ’-এর কার ‘ ী ’ পরে বসে: যেমন— কী (সঠিক), কী (ভুল)।
- ‘এ’-এর কার ‘ ে ’ আগে বসে: যেমন— কে (সঠিক), কে (ভুল)।
- ‘ও’-এর কার ‘ ো ’ পরে বসে: যেমন— কো (সঠিক), কো (ভুল)।
- ‘উ’-এর কার ‘ ু ’ নিচে বসে: যেমন— কু (সঠিক), কু (ভুল)।
- ‘অ’-এর কার আছে মনে করা: ‘অ’-এর কোনো কার নেই।
📊 উদাহরণ সহ টেবিল (Examples with Explanation)
টেবিল ১: প্রতিটি কার-এর ২০+ উদাহরণ
আ-কার (া) এর উদাহরণ:
| শব্দ | কার ব্যবহার | ব্যাখ্যা |
|---|---|---|
| কা + ল = কাল | আ-কার | ‘ক’ ব্যঞ্জনে ‘া’ যুক্ত হয়ে ‘কা’। [Primary 2020] |
| খা + বা = খাবা | আ-কার | ‘খ’ + ‘া’ = ‘খা’। |
| গা + ন = গান | আ-কার | ‘গ’ + ‘া’ = ‘গা’। |
| চা + দ = চাঁদ | আ-কার | ‘চ’ + ‘া’ = ‘চা’। |
| ছা + ত = ছাতা | আ-কার | ‘ছ’ + ‘া’ = ‘ছা’। |
| জা + মা = জামা | আ-কার | ‘জ’ + ‘া’ = ‘জা’। |
| টা + কা = টাকা | আ-কার | ‘ট’ + ‘া’ = ‘টা’। |
| ঠা + ন = ঠান্ডা | আ-কার | ‘ঠ’ + ‘া’ = ‘ঠা’। |
| ডা + ক = ডাক | আ-কার | ‘ড’ + ‘া’ = ‘ডা’। |
| ঢা + ক = ঢাক | আ-কার | ‘ঢ’ + ‘া’ = ‘ঢা’। |
| তা + প = তাপ | আ-কার | ‘ত’ + ‘া’ = ‘তা’। |
| থা + ম = থাম | আ-কার | ‘থ’ + ‘া’ = ‘থা’। |
| দা + ন = দান | আ-কার | ‘দ’ + ‘া’ = ‘দা’। |
| ধা + ন = ধান | আ-কার | ‘ধ’ + ‘া’ = ‘ধা’। |
| না + ম = নাম | আ-কার | ‘ন’ + ‘া’ = ‘না’। |
| পা + থ = পাথ | আ-কার | ‘প’ + ‘া’ = ‘পা’। |
| ফা + স = ফাস | আ-কার | ‘ফ’ + ‘া’ = ‘ফা’। |
| বা + ঘ = বাঘ | আ-কার | ‘ব’ + ‘া’ = ‘বা’। |
| ভা + ত = ভাত | আ-কার | ‘ভ’ + ‘া’ = ‘ভা’। |
| মা + ঝ = মাঝ | আ-কার | ‘ম’ + ‘া’ = ‘মা’। |
| যা + ম = যাম | আ-কার | ‘য’ + ‘া’ = ‘যা’। |
| রা + জা = রাজা | আ-কার | ‘র’ + ‘া’ = ‘রা’। |
| লা + ল = লাল | আ-কার | ‘ল’ + ‘া’ = ‘লা’। |
| শা + ক = শাক | আ-কার | ‘শ’ + ‘া’ = ‘শা’। |
| সা + জ = সাজ | আ-কার | ‘স’ + ‘া’ = ‘সা’। |
| হা + ত = হাত | আ-কার | ‘হ’ + ‘া’ = ‘হা’। |
ই-কার ( ি ) এর উদাহরণ:
| শব্দ | কার ব্যবহার | ব্যাখ্যা |
|---|---|---|
| ক ি + ল = কিল | ই-কার | ‘ক’ এর আগে ‘ ি ’ বসে, উচ্চারণ পরে। [SSC 2021] |
| খ ি + ল = খিল | ই-কার | ‘খ’ + ‘ ি ’ = ‘খি’। |
| গ ি + ন = গিন | ই-কার | ‘গ’ + ‘ ি ’ = ‘গি’। |
| চ ি + ন = চিন | ই-কার | ‘চ’ + ‘ ি ’ = ‘চি’। |
| ছ ি + ট = ছিট | ই-কার | ‘ছ’ + ‘ ি ’ = ‘ছি’। |
| জ ি + ন = জিন | ই-কার | ‘জ’ + ‘ ি ’ = ‘জি’। |
| ট ি + ক = টিক | ই-কার | ‘ট’ + ‘ ি ’ = ‘টি’। |
| ড ি + ম = ডিম | ই-কার | ‘ড’ + ‘ ি ’ = ‘ডি’। |
| ত ি + ন = তিন | ই-কার | ‘ত’ + ‘ ি ’ = ‘তি’। |
| দ ি + ন = দিন | ই-কার | ‘দ’ + ‘ ি ’ = ‘দি’। |
| ন ি + ল = নিল | ই-কার | ‘ন’ + ‘ ি ’ = ‘নি’। |
| প ি + ত = পিত | ই-কার | ‘প’ + ‘ ি ’ = ‘পি’। |
| ফ ি + র = ফির | ই-কার | ‘ফ’ + ‘ ি ’ = ‘ফি’। |
| ব ি + ন = বিন | ই-কার | ‘ব’ + ‘ ি ’ = ‘বি’। |
| ভ ি + ত = ভিত | ই-কার | ‘ভ’ + ‘ ি ’ = ‘ভি’। |
| ম ি + ল = মিল | ই-কার | ‘ম’ + ‘ ি ’ = ‘মি’। |
| য ি + ত = যিত | ই-কার | ‘য’ + ‘ ি ’ = ‘যি’। |
| র ি + ত = রিত | ই-কার | ‘র’ + ‘ ি ’ = ‘রি’। |
| ল ি + খ = লিখ | ই-কার | ‘ল’ + ‘ ি ’ = ‘লি’। |
| শ ি + ব = শিব | ই-কার | ‘শ’ + ‘ ি ’ = ‘শি’। |
| স ি + ত = সিত | ই-কার | ‘স’ + ‘ ি ’ = ‘সি’। |
| হ ি + ত = হিত | ই-কার | ‘হ’ + ‘ ি ’ = ‘হি’। |
উ-কার ( ু ) এর উদাহরণ:
| শব্দ | কার ব্যবহার | ব্যাখ্যা |
|---|---|---|
| ক ু + ল = কুল | উ-কার | ‘ক’ এর নিচে ‘ ু ’ বসে। [NTRCA 2020] |
| খ ু + ন = খুন | উ-কার | ‘খ’ + ‘ ু ’ = ‘খু’। |
| গ ু + ন = গুন | উ-কার | ‘গ’ + ‘ ু ’ = ‘গু’। |
| চ ু + ল = চুল | উ-কার | ‘চ’ + ‘ ু ’ = ‘চু’। |
| ছ ু + ট = ছুট | উ-কার | ‘ছ’ + ‘ ু ’ = ‘ছু’। |
| জ ু + ত = জুত | উ-কার | ‘জ’ + ‘ ু ’ = ‘জু’। |
| ট ু + প = টুপ | উ-কার | ‘ট’ + ‘ ু ’ = ‘টু’। |
| ড ু + ব = ডুব | উ-কার | ‘ড’ + ‘ ু ’ = ‘ডু’। |
| ত ু + ল = তুল | উ-কার | ‘ত’ + ‘ ু ’ = ‘তু’। |
| দ ু + খ = দুখ | উ-কার | ‘দ’ + ‘ ু ’ = ‘দু’। |
| ন ু + ন = নুন | উ-কার | ‘ন’ + ‘ ু ’ = ‘নু’। |
| প ু + ত = পুত | উ-কার | ‘প’ + ‘ ু ’ = ‘পু’। |
| ফ ু + ল = ফুল | উ-কার | ‘ফ’ + ‘ ু ’ = ‘ফু’। |
| ব ু + ক = বুক | উ-কার | ‘ব’ + ‘ ু ’ = ‘বু’। |
| ভ ু + ল = ভুল | উ-কার | ‘ভ’ + ‘ ু ’ = ‘ভু’। |
| ম ু + খ = মুখ | উ-কার | ‘ম’ + ‘ ু ’ = ‘মু’। |
| য ু + ত = যুত | উ-কার | ‘য’ + ‘ ু ’ = ‘যু’। |
| র ু + প = রূপ | উ-কার (ঊ-কার) | ‘র’ + ‘ ূ ’ = ‘রূ’। |
| ল ু + ক = লুক | উ-কার | ‘ল’ + ‘ ু ’ = ‘লু’। |
| শ ু + ভ = শুভ | উ-কার | ‘শ’ + ‘ ু ’ = ‘শু’। |
| স ু + খ = সুখ | উ-কার | ‘স’ + ‘ ু ’ = ‘সু’। |
| হ ু + ক = হুক | উ-কার | ‘হ’ + ‘ ু ’ = ‘হু’। |
এ-কার ( ে ) এর উদাহরণ:
| শব্দ | কার ব্যবহার | ব্যাখ্যা |
|---|---|---|
| ক ে + ল = কেল | এ-কার | ‘ক’ এর আগে ‘ ে ’ বসে। [BCS 35th] |
| খ ে + ল = খেল | এ-কার | ‘খ’ + ‘ ে ’ = ‘খে’। |
| গ ে + ল = গেল | এ-কার | ‘গ’ + ‘ ে ’ = ‘গে’। |
| চ ে + ল = চেল | এ-কার | ‘চ’ + ‘ ে ’ = ‘চে’। |
| ছ ে + ল = ছেল | এ-কার | ‘ছ’ + ‘ ে ’ = ‘ছে’। |
| জ ে + ল = জেল | এ-কার | ‘জ’ + ‘ ে ’ = ‘জে’। |
| ট ে + ল = টেল | এ-কার | ‘ট’ + ‘ ে ’ = ‘টে’। |
| ড ে + র = ডের | এ-কার | ‘ড’ + ‘ ে ’ = ‘ডে’। |
| ত ে + ল = তেল | এ-কার | ‘ত’ + ‘ ে ’ = ‘তে’। |
| দ ে + শ = দেশ | এ-কার | ‘দ’ + ‘ ে ’ = ‘দে’। |
| ন ে + ত = নেত | এ-কার | ‘ন’ + ‘ ে ’ = ‘নে’। |
| প ে + ট = পেট | এ-কার | ‘প’ + ‘ ে ’ = ‘পে’। |
| ফ ে + র = ফের | এ-কার | ‘ফ’ + ‘ ে ’ = ‘ফে’। |
| ব ে + ল = বেল | এ-কার | ‘ব’ + ‘ ে ’ = ‘বে’। |
| ভ ে + ল = ভেল | এ-কার | ‘ভ’ + ‘ ে ’ = ‘ভে’। |
| ম ে + ঘ = মেঘ | এ-কার | ‘ম’ + ‘ ে ’ = ‘মে’। |
| য ে + ত = যেত | এ-কার | ‘য’ + ‘ ে ’ = ‘যে’। |
| র ে + খ = রেখ | এ-কার | ‘র’ + ‘ ে ’ = ‘রে’। |
| ল ে + খ = লেখ | এ-কার | ‘ল’ + ‘ ে ’ = ‘লে’। |
| শ ে + র = শের | এ-কার | ‘শ’ + ‘ ে ’ = ‘শে’। |
| স ে + র = সের | এ-কার | ‘স’ + ‘ ে ’ = ‘সে’। |
| হ ে + ল = হেল | এ-কার | ‘হ’ + ‘ ে ’ = ‘হে’। |
ও-কার ( ো ) এর উদাহরণ:
| শব্দ | কার ব্যবহার | ব্যাখ্যা |
|---|---|---|
| ক ো + ন = কোন | ও-কার | ‘ক’ এর পরে ‘ ো ’ বসে। |
| খ ো + ল = খোল | ও-কার | ‘খ’ + ‘ ো ’ = ‘খো’। |
| গ ো + ল = গোল | ও-কার | ‘গ’ + ‘ ো ’ = ‘গো’। |
| চ ো + খ = চোখ | ও-কার | ‘চ’ + ‘ ো ’ = ‘চো’। |
| ছ ো + ট = ছোট | ও-কার | ‘ছ’ + ‘ ো ’ = ‘ছো’। |
| জ ো + র = জোর | ও-কার | ‘জ’ + ‘ ো ’ = ‘জো’। |
| ট ো + প = টোপ | ও-কার | ‘ট’ + ‘ ো ’ = ‘টো’। |
| ড ো + র = ডোর | ও-কার | ‘ড’ + ‘ ো ’ = ‘ডো’। |
| ত ো + র = তোর | ও-কার | ‘ত’ + ‘ ো ’ = ‘তো’। |
| দ ো + শ = দোষ | ও-কার | ‘দ’ + ‘ ো ’ = ‘দো’। |
| ন ো + ন = নোন | ও-কার | ‘ন’ + ‘ ো ’ = ‘নো’। |
| প ো + শ = পোশ | ও-কার | ‘প’ + ‘ ো ’ = ‘পো’। |
| ফ ো + ট = ফোট | ও-কার | ‘ফ’ + ‘ ো ’ = ‘ফো’। |
| ব ো + ঝ = বোঝ | ও-কার | ‘ব’ + ‘ ো ’ = ‘বো’। |
| ভ ো + র = ভোর | ও-কার | ‘ভ’ + ‘ ো ’ = ‘ভো’। |
| ম ো + ট = মোট | ও-কার | ‘ম’ + ‘ ো ’ = ‘মো’। |
| য ো + গ = যোগ | ও-কার | ‘য’ + ‘ ো ’ = ‘যো’। |
| র ো + দ = রোদ | ও-কার | ‘র’ + ‘ ো ’ = ‘রো’। |
| ল ো + ভ = লোভ | ও-কার | ‘ল’ + ‘ ো ’ = ‘লো’। |
| শ ো + ক = শোক | ও-কার | ‘শ’ + ‘ ো ’ = ‘শো’। |
| স ো + ন = সোন | ও-কার | ‘স’ + ‘ ো ’ = ‘সো’। |
| হ ো + ল = হোল | ও-কার | ‘হ’ + ‘ ো ’ = ‘হো’। |
✍️ অনুশীলনী (Exercise)
A) বিগত সালের প্রশ্ন (MCQ)
১। ‘আ’-এর কার কোনটি? [BCS 44th]
ক) া
খ) ি
গ) ে
ঘ) ো
২। ‘ই’-এর কার কোথায় বসে?
ক) ব্যঞ্জনের পরে
খ) ব্যঞ্জনের আগে
গ) ব্যঞ্জনের নিচে
ঘ) ব্যঞ্জনের উপরে
৩। ‘ক’ + ‘উ’ = ?
ক) কু
খ) কি
গ) কে
ঘ) কো
৪। ‘এ’-এর কার কোনটি? [SSC 2022]
ক) ো
খ) ে
গ) ৈ
ঘ) ৌ
৫। ‘অ’-এর কার আছে কি?
ক) হ্যাঁ
খ) না
গ) কখনো কখনো
ঘ) দুটোই
৬। ‘কি’ শব্দে কোন কার ব্যবহৃত?
ক) আ-কার
খ) ই-কার
গ) উ-কার
ঘ) এ-কার
৭। ‘ঔ’-এর কার কোনটি?
ক) ো
খ) ে
গ) ৈ
ঘ) ৌ
৮। কার কাকে বলে? [Primary 2023]
ক) ব্যঞ্জনবর্ণের পূর্ণরূপ
খ) স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ
গ) যুক্তবর্ণ
ঘ) ফলা
৯। ‘কৃ’ শব্দে কোন কার ব্যবহৃত?
ক) উ-কার
খ) ঊ-কার
গ) ঋ-কার
ঘ) এ-কার
১০। ‘বই’ শব্দে ‘ই’ কীভাবে ব্যবহৃত?
ক) কার হিসেবে
খ) স্বরবর্ণ হিসেবে
গ) ফলা হিসেবে
ঘ) ব্যঞ্জন হিসেবে
১১। ‘কৌ’ শব্দে কোন কার?
ক) ও-কার
খ) ঔ-কার
গ) ঐ-কার
ঘ) এ-কার
১২। নিচের কোনটি সঠিক?
ক) ‘কি’ = ক + ই-কার
খ) ‘কি’ = ক + ঈ-কার
গ) ‘কি’ = ক + আ-কার
ঘ) ‘কি’ = ক + উ-কার
১৩। ‘সে’ শব্দে কোন কার?
ক) এ-কার
খ) ঐ-কার
গ) ও-কার
ঘ) আ-কার
১৪। ‘কা’ ও ‘কি’—এর পার্থক্য কী?
ক) আ-কার ও ই-কার
খ) আ-কার ও উ-কার
গ) এ-কার ও ও-কার
ঘ) সব এক
১৫। ‘কার’ ও ‘ফলা’র মধ্যে পার্থক্য কী?
ক) কার স্বরের, ফলা ব্যঞ্জনের
খ) কার ব্যঞ্জনের, ফলা স্বরের
গ) দুটোই স্বরের
ঘ) দুটোই ব্যঞ্জনের
B) সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (Short Questions)
১। স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ বা কার কাকে বলে?
উত্তর: স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে ছোট বা সংক্ষিপ্ত আকারে লেখা হয়, তখন তাকে কার বলে। যেমন— ‘আ’-এর কার ‘া’, ‘ই’-এর কার ‘ ি ’।
২। ১১টি স্বরবর্ণের কার লেখো।
উত্তর:
- আ-কার (া)
- ই-কার ( ি )
- ঈ-কার ( ী )
- উ-কার ( ু )
- ঊ-কার ( ূ )
- ঋ-কার ( ৃ )
- এ-কার ( ে )
- ঐ-কার ( ৈ )
- ও-কার ( ো )
- ঔ-কার ( ৌ )
- অ-এর কোনো কার নেই।
৩। ‘অ’-এর কার নেই কেন?
উত্তর: বাংলা বর্ণমালায় প্রতিটি ব্যঞ্জনবর্ণ নিজেই ‘অ’ ধ্বনি ধারণ করে। তাই ‘অ’-এর জন্য আলাদা কার-এর প্রয়োজন হয় না।
৪। কার ও ফলার মধ্যে পার্থক্য লেখো।
উত্তর: কার হলো স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ (যেমন: া, ি), আর ফলা হলো ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ (যেমন: ্য, ব্ব)। কার স্বরবর্ণ থেকে আসে, ফলা ব্যঞ্জনবর্ণ থেকে আসে।
৫। কার-এর অবস্থান অনুযায়ী শ্রেণিবিভাগ করো।
উত্তর:
- ব্যঞ্জনের পরে: আ-কার (া), ঈ-কার (ী), ও-কার (ো), ঔ-কার (ৌ)
- ব্যঞ্জনের আগে: ই-কার ( ি ), এ-কার ( ে ), ঐ-কার ( ৈ )
- ব্যঞ্জনের নিচে: উ-কার ( ু ), ঊ-কার ( ূ ), ঋ-কার ( ৃ )
৬। ‘ক’ + ‘ই’ = কীভাবে লেখা হয়?
উত্তর: ‘ক’ + ‘ই’ = ‘কি’। এখানে ‘ই’-এর কার ‘ ি ’ ব্যঞ্জনের আগে বসে।
৭। ‘কো’ শব্দে কোন কার ব্যবহৃত হয় এবং কোথায় বসে?
উত্তর: ‘কো’ শব্দে ‘ও’-এর কার ‘ ো ’ ব্যবহৃত হয় এবং এটি ব্যঞ্জন ‘ক’-এর পরে বসে।
C) উত্তরমালা (Answer Key with Explanation)
১. ক) া
ব্যাখ্যা: ‘আ’-এর কার ‘া’।
২. খ) ব্যঞ্জনের আগে
ব্যাখ্যা: ই-কার ( ি ) ব্যঞ্জনের আগে বসে, যেমন— ‘কি’।
৩. ক) কু
ব্যাখ্যা: ‘ক’ এর নিচে উ-কার ( ু ) বসে।
৪. খ) ে
ব্যাখ্যা: ‘এ’-এর কার ‘ ে ’।
৫. খ) না
ব্যাখ্যা: ‘অ’-এর কোনো কার নেই।
৬. খ) ই-কার
ব্যাখ্যা: ‘কি’ = ক + ই-কার ( ি )।
৭. ঘ) ৌ
ব্যাখ্যা: ‘ঔ’-এর কার ‘ ৌ ’।
৮. খ) স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ
ব্যাখ্যা: কার স্বরবর্ণের ছোট রূপ।
৯. গ) ঋ-কার
ব্যাখ্যা: ‘কৃ’ = ক + ঋ-কার ( ৃ )।
১০. খ) স্বরবর্ণ হিসেবে
ব্যাখ্যা: ‘বই’ শব্দে ‘ই’ পূর্ণ স্বরবর্ণ, কার নয়।
১১. খ) ঔ-কার
ব্যাখ্যা: ‘কৌ’ = ক + ঔ-কার ( ৌ )।
১২. ক) ‘কি’ = ক + ই-কার
ব্যাখ্যা: ‘কি’ শব্দে ই-কার ব্যবহৃত।
১৩. ক) এ-কার
ব্যাখ্যা: ‘সে’ = স + এ-কার ( ে )।
১৪. ক) আ-কার ও ই-কার
ব্যাখ্যা: ‘কা’তে আ-কার, ‘কি’তে ই-কার।
১৫. ক) কার স্বরের, ফলা ব্যঞ্জনের
ব্যাখ্যা: কার স্বরবর্ণের, ফলা ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ।
❓ প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
প্রশ্ন ১: কার কাকে বলে?
উত্তর: স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত আকার ধারণ করে, তখন তাকে কার বলে। যেমন— ‘আ’-এর কার ‘া’, ‘ই’-এর কার ‘ ি ’।
প্রশ্ন ২: ‘অ’-এর কার নেই কেন?
উত্তর: বাংলায় প্রতিটি ব্যঞ্জনবর্ণ নিজেই ‘অ’ ধ্বনি ধারণ করে, তাই ‘অ’-এর জন্য আলাদা কার-এর প্রয়োজন নেই।
প্রশ্ন ৩: কার ও ফলার মধ্যে পার্থক্য কী?
উত্তর: কার স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ (া, ি, ু), ফলা ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ (্য, ব্ব, স্স)।
প্রশ্ন ৪: ই-কার ও ঈ-কারের পার্থক্য কীভাবে মনে রাখব?
উত্তর: “ই আগে, ঈ পরে।”
অর্থাৎ, ই-কার ( ি ) ব্যঞ্জনের আগে বসে, ঈ-কার ( ী ) ব্যঞ্জনের পরে বসে।
🏁 উপসংহার (Conclusion)
প্রিয় পরীক্ষার্থী, আজ আমরা স্বরবর্ণ ও স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ (কার) নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করলাম। মনে রাখার মূল ছড়া:
“আ-ঈ-ও-ঔ পিছে বসে,
ই-এ-ঐ আগে হাসে;
উ-ঊ-ঋ নিচে নামে,
অ-এর কোনো কার নেই।”
এই ট্রিকসগুলো অনুশীলন করলে পরীক্ষায় কার-সংক্রান্ত সব প্রশ্নে আপনি পূর্ণ নম্বর পাবেন। সঠিক বানান ও লেখার দক্ষতা অর্জন হোক, সফলতা আপনার হবেই।
লেখক: ToLearnTeam.com শিক্ষা বিভাগ
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত


